কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১ মার্চ, ২০২৩ এ ০১:৩৫ PM
কন্টেন্ট: পাতা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারসহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়শাজাহানপুর,বগুড়া। | |
মনুসঙ্গীতা (২০০ Bc) অনুযায়ি জমি তার হতো যিনি জঙ্গল পরিসস্কার করে এটাকে চাষাবাদ যোগ্য করে তুলতো। ঠিক এ সময় হতে শুরু করে প্রাচীন যুগ, মোহামেডান যুগ, ব্রিটিশ যুগ, পাকিস্তান যুগ অতিক্রম করে বাংলাদেশের ভুমিকে সঠিক রুপে ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এখন ও বাংলাদেশের ভুমি ব্যাবস্থাপনা একটি সঠিক ও সার্বজনিন অবস্থায় আসতে পারেনি।এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার আলোকে এ উপজেলার ভূমি ব্যবস্থাপনা সঠিক ও নির্ভুলভাবে পরিচালনা এবং সাধারন জনগনের তাদের জমির উপর অধিকার প্রতিষ্ঠা ও হয়রানি দূর করে একটি সঠিক ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করাই মূলত এ কার্যালয়ের মূল লক্ষ। | |
মিউটেশন (নামজারি),জমাভাগ ও জমা একত্রীকরণ সংক্রান্ত নিয়মাবলীঃ
মিউটেশনের জন্য সহকারি কমিশনার (ভূমি) বরাবর দরখাস্ত দাখিল করতে হবে।
(ক) মিউটেশনের আবেদনের সাথে নিম্ন বর্ণিত কাগজপত্র দাখিল করতে হবেঃ Ø ক্রয় ক্ষেত্রেঃ ক্রয় ও প্রয়োজনীয় বায়া দলিলের ফটোকপি। Ø মৃত্যুর ক্ষেত্রেঃ ওয়ারিশ সনদপত্র Ø হেবা বা দানের ক্ষেত্রেঃ হেবা দলিল কপি Ø সকল রেকর্ড/পর্চা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি। (খ) মিউটেশন বাবদ খরচঃ 1. আবেদন কোর্ট ফি = ৫.০০ টাকা 2. নোটিশ জারির ফি = ২.০০ টাকা 3. রেকর্ড সংশোধন ফি = ২০০.০০ টাকা 4. প্রতি কপি মিউটেশন খতিয়ান ফি = (১৮+২৫)=৪৩/- টাকা। সর্বমোট= ২৫০/- টাকা
(গ) কত দিনে মিউটেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবেঃমালিকানা বিষয়ে বিতর্ক না থাকলে আবেদন প্রাপ্তির তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে কার্যক্রম সমাপ্ত করা হবে।
বিঃ দ্রঃ দরখাস্ত জমা দেয়ার দিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে মিউটেশন কেস নিষ্পত্তি না হলে এবং উল্লেখিত খরচের অতিরিক্ত ফি কেউ দাবি করলে সহকারি কমিশনার (ভূমি)/উপজেলা নির্বাহি অফিসার/রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) অথবা জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। | |
খাস জমি বন্দোবস্তের নিয়মঃØ নামমাত্র এক টাকা সেলামি নির্ধারন পূর্বক কৃষি খাস জমি প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়। | |
১। কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন করের হারঃ
(ক) ৮.২৫ একর পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে না। (খ) ৮.২৫ একরের উর্দ্ধে বা ১০.০০ একর পর্যন্ত প্রতি শতাংশ ০.৫০ টাকা হারে। (গ) ১০.০০ একরের উর্দ্ধে প্রতি শতাংশ ১.০০ টাকা হারে।
২। অকৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন করের হারঃ
(ক) শিল্প/বানিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত প্রতি শতাংশ ১৫.০০ টাকা। (খ) আবাসিক অথবা অন্য কাজে ব্যবহৃত (পাকা ভিটি) প্রতি শতাংশ ৫.০০ টাকা। | |
*ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের নিয়মঃ
১। কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন করের হারঃ
(ক) ৮.২৫ একর পর্যমত্ম ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে না। (খ) ৮.২৫ একরের উর্দ্ধে বা ১০.০০ একর পর্যমত্ম প্রতি শতাংশ ০.৫০ টাকা হারে। (গ) ১০.০০ একরের উর্দ্ধে প্রতি শতাংশ ১.০০ টাকা হারে।
২। অকৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন করের হারঃ
(ক) শিল্প/বানিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত প্রতি শতাংশ ১৫.০০ টাকা। (খ) আবাসিক অথবা অন্য কাজে ব্যবহৃত (পাকা ভিটি) প্রতি শতাংশ ৫.০০ টাকা। | |
মিস কেস দায়েরের নিয়মঃ
Ø নাম পত্তনের জমা খারিজের মাধ্যমে রেকর্ড হাল করণের সাথে প্রজাস্বত্ব আইনের ১৫০ ধারা মতে নামপত্তন জমাখারিজের আদেশ পূনর্বিবেচনা বা সংশোধনীর জন্য সহকারি কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করতে হয়। Ø সহকারি কমিশনার (ভূমি) আবেদনের প্রেক্ষিতে মিস কেস সৃজন করবেন। Ø আবেদনটি পূর্বেই আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল করা হয়েছে কিনা তা বিবেচনা করতে হবে। Ø শুনানির জন্য নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং প্রতিবেদন সংগ্রহ করতে হবে। Ø বিস্তারিত শুনানি,প্রতিবেদন ও কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে সহকারি কমিশনার (ভূমি) যেটা উপযুক্ত মনে করবেন সে মোতাবেক আদেশ প্রদান করবেন। | |
*অর্পিত ও পরিত্যক্ত সম্পত্তির লীজ নবায়নের নিয়মঃ
Ø কৃষি জমি প্রতি একর ৫০০/- টাকা। Ø অকৃষি ভিটি জমি প্রতি একর ২,০০০/- টাকা। Ø শিল্প/বানিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত জমি প্রতি একর ৩,০০০/- টাকা। Ø আবাসিক ঘর ও কাঁচা ঘর প্রতি বর্গ ফুট ০১/- টাকা। Ø আবাসিক ঘর ও আধা পাকা ঘর প্রতি বর্গফুট ১.৫০ টাকা। Ø আবাসিক ঘর ও পাকা ঘর প্রতি বর্গ ফুট ৩.৫০ টাকা। Ø টিনের আধাপাকা ঘর/পাকা ঘর যদি বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় প্রতি বর্গ ফুট ০৪/- টাকা। | |